Posts

Showing posts from August, 2025

"সৌরগ্রহণ কী, কোথায়, কখন এবং কীভাবে এটি ঘটে?

Image
সৌরগ্রহণ হলো এক বিশেষ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসে সূর্যের আলো আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে আড়াল করে ফেলে। এর ফলে পৃথিবীর নির্দিষ্ট অংশে কিছু সময়ের জন্য সূর্যের আলো কমে যায় বা পুরোপুরি ঢেকে যায়। সৌরগ্রহণ ঘটার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ হতে হয়। প্রথমত, চাঁদকে অবশ্যই অমাবস্যা অবস্থায় থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীকে একই সরলরেখায় আসতে হবে। তৃতীয়ত, চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের (এক্লিপ্টিক প্লেন) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। সব সময় অমাবস্যায় গ্রহণ ঘটে না, কারণ চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের সঙ্গে প্রায় ৫ ডিগ্রি হেলে থাকে। তাই নির্দিষ্ট অবস্থায়ই সৌরগ্রহণ সম্ভব হয়। সৌরগ্রহণ সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে—পূর্ণ সৌরগ্রহণ, আংশিক সৌরগ্রহণ এবং বলয়াকার সৌরগ্রহণ। পূর্ণ সৌরগ্রহণে চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলে, ফলে পৃথিবী কিছু সময়ের জন্য অন্ধকার হয়ে যায়। আংশিক সৌরগ্রহণে সূর্যের কেবল একটি অংশ ঢাকা পড়ে। আর বলয়াকার সৌরগ্রহণ ঘটে তখন, যখন চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না এবং চারপাশে আগুনের বলয়ের মতো সূর্যের অংশ দৃশ্যমান থাকে। সৌরগ্রহণের সময়কাল কয়েক মিনিট থেকে সর্বোচ্চ প্রা...

"শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের জন্য ফুলের পরাগকণা কতটা ক্ষতিকর ?

Image
ফুলের পরাগকণা বা পলেনে অনেক সময় শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের জন্য মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষত যাঁরা হাঁপানি, অ্যালার্জি বা ব্রঙ্কাইটিসে ভুগছেন, তাঁদের জন্য ফুলের পরাগ একটি বড় ধরনের উদ্দীপক (trigger) হিসেবে কাজ করে। পরাগকণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়লে তা নিঃশ্বাসের সঙ্গে সহজেই শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে। এতে শ্বাসনালীর ভেতরের আবরণ ফুলে ওঠে, প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং শ্লেষ্মা বেড়ে যায়। এর ফলে রোগীরা কাশি, শ্বাসকষ্ট, সাঁই সাঁই শব্দ এবং বুক চেপে আসার মতো উপসর্গ অনুভব করেন। অনেক সময় হঠাৎ করে অ্যাজমার অ্যাটাকও হতে পারে, যা জীবনহানিকর পর্যন্ত হতে পারে। অ্যালার্জি-প্রবণ রোগীদের ক্ষেত্রে ফুলের পরাগ চোখ ও নাকেও প্রভাব ফেলে। চোখ লাল হওয়া, পানি পড়া, নাক চুলকানো বা হাঁচি বেড়ে যাওয়া খুব সাধারণ উপসর্গ। এ কারণে বসন্তকালে বা পরাগ ছড়ানোর মৌসুমে রোগীদের সমস্যার মাত্রা বেশি দেখা যায়। ফুলের পরাগের ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে কিছু সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন। যেমন— পরাগ ছড়ানোর মৌসুমে যতটা সম্ভব বাইরে কম বের হওয়া। বাইরে গেলে মুখোশ ব্যবহার করা। ঘরে ফিরে মুখ ও হাত ভালোভাবে ধোয়া। জানালা বন্ধ রাখা এবং ঘরের ভেতরে এয়ার ফিল্টা...